
ভারতের সংবিধান রচনার ঐতিহাসিক পটভূমি
১৭৭৩ সাল থেকে ১৮৫৮ সাল পর্যন্ত ভারত ছিল ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অধীনে এবং ১৮৫৮ সাল থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত সময়কাল ছিল ব্রিটিশ রাজ শাসনের অধীনে। ব্রিটিশ রাজ শাসনের অধীনে থাকার সময় শাসনকার্য পরিচালনার জন্য ব্রিটিশরা যে সকল আইনগুলি প্রণয়ন করেছিলেন সেই আইন গুলোকেই পরবর্তীকালে ভারতীয় সংবিধান রচনার পটভূমি হিসেবে গণ্য করা হয়। এই আইনগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল-
রেগুলেটিং অ্যাক্ট, ১৭৭৩:-
1. ইংল্যান্ডের ব্রিটিশ সরকার ভারতে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর কার্যকলাপকে নিয়ন্ত্রণ করার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে এই আইন প্রণয়ন করে।
2. এই আইনের দ্বারা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা প্রথম কার্যকরী হয়।
3. কোম্পানীর কর্মচারীগণ ব্যক্তিগত ব্যবসায় নিযুক্ত হওয়া বা জনসাধারণের কাছ থেকে উপঢৌকন (ভেটো ) গ্রহণ করা নিষিদ্ধ হয়।
4. ইংল্যন্ডস ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ডাইরেক্টর সভা দ্বারা নির্ধারিত শাসক 'বাংলার গভর্নর (গভর্নর অব বেঙ্গল, প্রথম রবার্ট ক্লাইভ) ইংল্যান্ডের পার্লামেন্ট দ্বারা স্বীকৃত শাসক 'বাংলার গভর্নর জেনারেল' (গভর্নর জেনারেল অব ফোর্ট উইলিয়াম ইন বেঙ্গল) রূপে উন্নীত হয়।
5. বাংলার প্রথম গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন ওয়ারেন হেস্টিংস (১৭৭৪-৮৫)।
6. ভারতে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ওপর ব্রিটিশ কেন্দ্রীয় আইনসভা নজরদারি শুরু করে।
7. ভারতে কেন্দ্রীয় শাসনব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপিত হয়।
৪. ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্মচারিদের ব্যক্তিগত বাণিজ্যিক সুযোগ-সুবিধার ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।
9. এই আইনের দ্বারা ১৭৭৪ খ্রিস্টাব্দে কলকাতার ফোর্ট উইলিয়ামে সুপ্রিমকোর্ট স্থাপিত হয়। প্রথম প্রধান বিচারপতি নিযুক্ত হন ইলাইজা ইস্পে।
পিটের ভারত শাসন আইন, ১৭৮৪:-
1. ১৭৮৪ সালে উইলিয়াম পিট ব্রিটেনের প্রধামন্ত্রী নির্বাচিত হন।
2. ব্রিটিশ সম্রাট তৃতীয় জর্জ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীকে নিয়ন্ত্রিত করার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে আইন প্রণয়নের কথা বলে। তারই ফলশ্রুতিতে এই আইন রচিত হয়।
3. এই আইনের দ্বারা ব্রিটিশ সরকার সরাসরিভাবে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ওপর সমস্তরকম কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে।
4. ভারতে কোম্পানী পরিচালিত রাজনৈতিক কর্মকান্ড এবং ব্যবসা সংক্রান্ত বিষয়গুলি দেখাশোনার জন্য বোর্ড অব কন্ট্রোল' ও 'বোর্ড অব ডিরেক্টর গঠিত হয়। এই বোর্ড ইস্ট ইন্ডিয়া দ্বারা পরিচালিত ভারত সরকারের নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধান করত। এদের সদস্যদের বলা হত কমিশনার।
5. 6 জন সদস্য বিশিষ্ট বোর্ড অব কন্ট্রোল গঠিত হয়।
6. ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দ্বারা অধিগৃহীত ভারতীয় অঞ্চলগুলিকে British Possessions in India বলে ঘোষণা করা হয়।
* চাটার আইন, ১৭৯৩:-
ব্রিটিশ সরকার ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাণিজ্যিক সুবিধা ২০ বছর বাড়িয়ে দেয়। বোম্বাই ও মাদ্রাজ প্রেসিডেন্সির ওপর গভর্নর-জেনারেলের কর্তৃত্ব ও নিয়ন্ত্রণ আরও সুদৃঢ় হয়। বোর্ড অব কন্ট্রোলের সদস্যদের বেতন ভারতের রাজস্ব থেকে দেওয়া হবে বলে স্থির হয়।
* চাটার আইন, ১৮১৩:-
1. এই আইন বলে ভারতের সমস্ত অঞ্চল ও রাজস্বের ওপর ব্রিটিশ রাজের সার্বভৌমত্ব দাবি করা হয়।
2. ভারতে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির একচেটিয়া বাণিজ্য করার অধিকারের অবসান হয় ফলে সকল ইংরেজ বণিকরা ভারতে ব্যবসা করার অধিকার পায়।
3. কোম্পানির অধীনে চাকরিতে যোগদান করার আগে কর্মচারীদের ইংল্যান্ডে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়।
4. এই আইনে ভারতে শিক্ষাতে ব্যয়ের জন্য টাকা বরাদ্দ হয়।
5. খ্রিস্টান মিশনারিরা ব্রিটিশ ভারতে ধর্মপ্রচারের অধিকার লাভ করে। প্রদেশগুলিতে দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা চালু হয়।
দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা:- ১৭৬৫ সালের লর্ড ক্লাইভ বাংলার নবাব থেকে দেওয়ানি সনদ প্রাপ্ত হলে যে শাসন প্রণালীর উদ্ভব হয় তা ইতিহাসে দ্বৈত শাসন নামে পরিচিত। মীরজাফরের মৃত্যুর পর লাড্ড ক্লাইভ ১৭৬৫ সালে মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় সহ আলমের কাছ থেকে বাংলা বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানী লাভ করে।
6. স্থানীয় সরকার অর্থাৎ গভর্নর জেনারেল ইন কাউন্সিলকে রাজস্ব আদায়ের অধিকার দেওয়া হয়।
* চাটার আইন, ১৮৩৩:-
1. এই আইন বলে 'গভর্নর জেনারেল অব ফোর্ট উইলিয়াম ইন বেঙ্গল পদের নাম পরিবর্তন করে করা হল 'গভর্নর জেনারেল অব ইন্ডিয়া' রূপে।
2. ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল হলেন লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক (১৮৩৩-৩৫)।
3. কেন্দ্রীয় আইন পরিষদ গঠিত হয়।
4. ভারতীয় সিভিল সার্ভিস প্রতিষ্ঠা করা হয়।
5. পঞ্চম আইনে'র মাধ্যমে ভারতে দাস প্রথার বিলুপ্ত ঘটানো হয়।
পঞ্চম আইন:- ১৮৩০ সালে লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক কর্তৃক প্রণীত পঞ্চম আইন (Act V of 1830) ছিল নীলকরদের স্বার্থরক্ষার একটি চরম নির্যাতনমূলক আইন। এই আইন অনুযায়ী, দাদন (অগ্রিম অর্থ) নিয়ে কোনো কৃষক নীলচাষ করতে অস্বীকার করলে তাকে গ্রেফতার এবং তার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতা নীলকরদের দেওয়া হয়েছিল [১, ২]। এর ফলে নীলচাষিদের ওপর অত্যাচার তীব্রতর হয়।
পঞ্চম আইনের মূল দিকসমূহ:-
নীলকরদের ক্ষমতা: - এই আইন নীলকরদের (নীলচাষের ইউরোপীয় মালিক) দাদন নেওয়া কৃষকদের ওপর আইনগতভাবে জোর খাটানোর পূর্ণ সুযোগ দেয় [২]।
চাষিদের বাধ্যতা:- নীলচাষে বাধ্য করার জন্য কৃষককে গ্রেফতার ও ঘরবাড়ি বাজেয়াপ্ত করার ভয় দেখানো হতো।
অবিচার:- আদালতে অভিযোগ জানালেও চাষিরা কোনো সুবিচার পেত না, উল্টে নীলকরদের অত্যাচারের শিকার হতো ।
প্রভাব: - এটি বাংলায় নীল বিদ্রোহের অন্যতম কারণ ছিল, কারণ এর ফলে কৃষকদের ওপর অমানুষিক নির্যাতন বেড়ে যায়
চাটার আইন, ১৮৫৩:-
1. এই আইনে বাংলার জন্য আলাদা লেফটেন্যান্ট গভর্নরের পদ সৃষ্টি করা হয়।
2. প্রথম এই পদে নির্বচিত হন স্যর অ্যাশলে ইডেন।
3. ভারতে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা ব্যবস্থার প্রচলন হয়।
4. উচ্চ পদগুলিতে প্রতিযোগিতামূলক পরীতার মাধ্যামে নিয়োগ করার ব্যবস্থা হয়।
5. এই আইনবলে কোম্পানির কর্মচারী নিয়োগ ও ইংল্যান্ডে প্রশিক্ষণের জন্য ডেকে পাঠানোর অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়।
6. গভর্নর জেনারেল কাউন্সিলের আইনবিভাগ ও শাসনবিভাগের মধ্যে পৃথক্করণ করা হয়।
7. সংসদীয় ব্যবস্থার সূচনা হয়।
গভর্নমেন্ট অব ইন্ডিয়া অ্যাক্ট, ১৮৫৮:-
1. ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী দ্বারা ভারত শাসনের দুর্বলতাকে প্রকট করে।
2. উৎকৃষ্ট শাসনব্যবস্থা প্রবর্তনের যুক্তি দেখিয়ে ইংল্যান্ডে মহারানি ভিক্টোরিয়ার ঘোষণাপত্রে ভারতে ইস্য ইত্তির কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে এবং ভারত শাসনে ব্রিটিশ সরকারের সরাসরি কর্তৃত্ব স্থাপিত হয়।
3. যাবতীয় ক্ষমতার অধিকারী হলেন ইংল্যান্ডের রানি।
4. ভারতে দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার বিলোপ ঘটে।
5. 'গভর্নর জেনারেল অব ইন্ডিয়া'র পরিবর্তে 'ভাইসরয়' পদের সৃষ্টি করা হয়।
6. ভারতের শেষ গভর্নর জেনারেল বা প্রথম ভাইসরয় নিযুক্ত হন লর্ড ক্যানিং (১৮৫৮-৬২)।
7. ভারতের শাসনভার কোম্পানির হাত থেকে সরাসরি ব্রিটিশ রাজতন্ত্র তথা ব্রিটিশ সরকারের হাতে ন্যস্ত হয়।
৪. ভারত সচিবের পদ সৃষ্টি করা হয়।
ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অ্যাক্ট, ১৮৬১:-
1. বিভিন্ন প্রদেশে বিধান পরিষদ বা আইন পরিষদ গঠিত হয়।
2. বাংলা, ভারতের উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ ও পাঞ্জাবের জন্য নতুন লেজিসলেটিভ কাউন্সিল গঠিত হয়।
জাতীয় পরিষদ আইন (১৮৬৭):-
1. কলকাতা, বোম্বাই ও মাদ্রাজে হাইকোট প্রতিষ্ঠা করা হয়। 2. গভর্নর জেনারেলের হাতে অর্ডিন্যান্স জারির ক্ষমতা অর্পণ করা হয়। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অ্যাক্ট, ১৮৯২: প্রাদেশিক আইনসভার সদস্যদের পরোক্ষ নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হয়।
* ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অ্যাক্ট, ১৯০৯ মর্ল-মিন্টো সংস্কার আইন):-
1. লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের ক্ষমতা বাড়ানো হয়।
2. ভাইসরয় ও গভর্নরের এগজিকিউটিভ কাউন্সিলে ভারতীয়দের অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেওয়া হয়।
3. প্রথম ভারতীয় হিসেবে সত্যেন্দ্রপ্রসাদ সিনহা এই কাউন্সিলে যোগদান করেন।
4. আইন পরিষদের সদস্যদের সরাসরি নির্বাচন প্রক্রিয়ার সূচনা হয়, ফলে নির্বাচন বাবস্থাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
5. মুসলমানদের জন্য পৃথক নির্বাচনের ব্যবস্থা শুরু হয়।
6. লর্ড মিন্টো এই পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থার প্রবর্তন করায় তাঁকে সাম্প্রদায়িক নির্বাচনের জনক বলেও অভিহিত করা হয়।
7. সাম্প্রদায়িকতার ভিত্তিতে সদস্য নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং মুসলিমদের জন্য আসন সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়।
৪. কেন্দ্র ও প্রদেশসমূহে আইন পরিষদের সদস্যসংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়।
গভর্নমেন্ট অব ইন্ডিয়া অ্যাক্ট, ১৯১৯ (মন্টেও-চেমসফোর্ড সংস্কার):-
1. কেন্দ্রে দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা বা বাইক্যামেরাল ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়। যথা উচ্চকক্ষ বা রাজ্য পরিষদ (কাউন্সিল অব স্টেটস) এবং নিম্নকক্ষ বা কেন্দ্রীয় আইনসভা (লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলি)।
2. কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক সরকারের মধ্যে সুপরিকল্পিতভাবে ক্ষমতা ও আয়ের বণ্টন করা হয়।
3. এই আইনবলে লন্ডনে 'ভারতের হাইকমিশনার নামে একটি পদের সৃষ্টি করা হয়।
4. ভারতীয় প্রদেশগুলিতে 'দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়।
ভারত শাসন আইন (১৯১৯):-
1. কেন্দ্রীয় আইনসভাকে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট করা হয়।
2. স্বায়ত্তশাসনের ক্ষেত্রে প্রাদেশিক সরকারের হাতে অধিক ক্ষমতা ন্যস্ত করা হয়।
* সাইমন কমিশন:-
1. ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের কার্যকারিতা নিরীক্ষণের জন্য ১৯২৭ সালে সাইমন কমিশন গঠিত হয়। এর চেয়ারম্যান ছিলেন স্যার জন সাইমন।
2. এই কমিশন ভারতে দ্বৈতশাসন ব্যবস্থার বিলুপ্তি এবং প্রদেশগুলিতে প্রতিনিধিমূলক সরকার গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়। এছাড়া সম্প্রদায়ভিত্তিক ভোটের প্রস্তাব উত্থাপন করলে হিন্দু-মুসলমান উভয়েই তা প্রত্যাখ্যান করে।
ভারত শাসন আইন (১৯৩৫):-
1. এই আইনের ওপর ভিত্তি করে ভারতীয় সংবিধানের কাঠামো প্রস্তুত করা হয়। ভারতে যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়। যুক্তরাষ্ট্রীয় আদালত গঠন করার প্রস্তাব নেওয়া হয়।
2.কেন্দ্রীয়, প্রাদেশিক ও যুগ্ম তালিকার মাধ্যমে শাসন ক্ষমতার বণ্টন করা হয়।
গভর্নমেন্ট অব ইন্ডিয়া অ্যাক্ট, ১৯৩৫:-
1. সর্বভারতীয় যুক্তরাষ্ট্র গঠন করার ব্যবস্থা করা হয় এই আইন দ্বারা।
2. ১১টি প্রদেশের মধ্যে বাংলা, বোম্বাই মাদ্রাজ, বিহার, আসাম, উত্তরপ্রদেশ এই ছয়টি প্রদেশে আইনসভাকে দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট করা হয়।
3. দ্বৈত শাসনের অবসান ঘটানো হয় এবং প্রাদেশিক স্বায়ত্ব শাসনের ব্যবস্থা করা হয়।
4. কেন্দ্রীয় এবং প্রাদেশিক সরকারের মধ্যে তিনটি তালিকার মাধ্যমে শাসনক্ষমতার বণ্টন করা হয়। যথা-কেন্দ্রীয় তালিকা, প্রাদেশিক তালিকা এবং যুগ্ম তালিকা।
5. তপশিলি জাতি, মহিলা ও শ্রমিকদের জন্য পৃথক নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হয়।
6. দিল্লিতে ফেডারেল কোর্ট প্রতিষ্ঠা করা হয়।
7. এই আইনে ৩২১টি অধ্যায় ও ১০টি তালিকা ছিল।
৪. গভর্নর জেনারেল ও গভর্নরদের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা দেওয়া হয়।
9. ১৯২৮ সালে মতিলাল নেহরু সংবিধান রচনার জন্য একটি খসড়া প্রস্তাব উত্থাপন করেন যা নেহরু রিপোর্ট' নামে পরিচিত।
নেহরু রিপোর্ট :- ১৯২৮ সালে মতিলাল নেহেরু সাংবিধান রচনা জন্য একটি খসড়া প্রস্তাব উপস্থাপন করেন যা "নেহেরু রিপোর্ট" নামে পরিচিত।
10. ভারতীয়দের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৪০ সালে ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক স্বাধীন ভারতের সংবিধান রচনার জন্য একটি গণপরিষদ গঠনের অনুমতি দেওয়া হয়।
11. ১৯৪৭ সালের ৪ জুলাই ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ভারতের স্বাধীনতা আইন' পাশ হয়।
12. ১৯৪৭ সালের ১২ আগস্ট লর্ড মাউন্টব্যাটেন ভারতকে স্বাধীনতা দেওয়ার বিষয়টি ঘোষণা করেন।
13. ভারতের সংবিধান রচনার প্রধান ভিত্তি ছিল এই ভারত শাসন আইন, ১৯৩৫।
উপসংহার:- উপরোক্ত সকল অ্যাক্ট স্বাধীন ভারতের সংবিধান রচনার মূল পটভূমি হিসেবে বিবেচিত হয়।
This comment has been removed by the author.
ReplyDelete